বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ০৫:০৫ অপরাহ্ন

চাঞ্চল্যকর জাকিয়া হত্যা মামলার রায় ১০ ফেব্রুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক:: গোপালগঞ্জের চাঞ্চল্যকর গৃহবধূ জাকিয়া বেগম হত্যা মামলার রায় আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা করা হবে।

বৃহস্পতিবার ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মোঃ জাকির হোসেনের আদালতে এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য ছিলো।

তবে বিচারক অসুস্থ এবং ছুটিতে থাকায় রায় ঘোষণার তারিখ পিছিয়ে ১০ ফেব্রুয়ারি ধার্য করা হয়েছে বলে রাষ্ট্রপক্ষে স্পেশাল পিপি সৈয়দ শামসুল হক বাদল জানান।

এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি বাদীপক্ষ, রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে ২৭ জানুয়ারি রায়ের জন্য রাখা হয়।

এ মামলার আসামিরা হলেন- নিহতের স্বামী মোর্শেদায়ান নিশান, এহসান সুশান, আনিছুর রহমান ও হাসান শেখ।

নিশান মাছরাঙ্গা টিভির গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি ও স্থানীয় দৈনিক আমাদের গোপালগঞ্জ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পর তিনি গ্রেফতার হলেও জামিন নিয়ে পালিয়ে যান। বাদীপক্ষের আইনজীবীরা আদালতে অভিযোগ করেন আসামি নিশান তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ভাই বোনদের নামে লিখে দিয়ে পালিয়ে যান।

আদালতে বাদিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আব্দুস সোবহান তরফদার, রাষ্ট্রপক্ষে আবু আব্দুল্লাহ ভূঞা এবং আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফারুক আহাম্মদ।

আইনজীবী মোঃ আবু আবদুল্লাহ্ ভূঞা বলেন, আমরা সাক্ষী ও তথ্য প্রমাণ দিয়ে এ মামলা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। আমরা আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

তিনি জানান, ২০২০ সালে এ মামলা ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এ আসে। এ মামলায় বাদীপক্ষে ২০ জন সাক্ষী স্বাক্ষ্য দেন।

এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর উভয়পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে ৩০ ডিসেম্বর এ মামলার রায়ের জন্য রাখা হয়।

আইনজীবীরা জানান, ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি রাতে গৃহবধূ জাকিয়া বেগমকে এক কোটি টাকা যৌতুকের জন্য নির্মামভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার বাবা জালাল উদ্দিন মল্লিক বাদি হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় জাকিয়ার স্বামী মোর্শেদায়ান নিশানকে প্রধান আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, নিশান, এহসান সুশান, আনিছুর রহমান, হাসান শেখ মিলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গৃহবধূ জাকিয়াকে কুপিয়ে হত্যা করে। মামলার প্রধান আসামি নিশান পালাতক রয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020  E-Kantha24
Technical Helped by Titans It Solution